চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বিদেশি সিগারেটের একটি বড় চালান জব্দ করেছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২ মে) রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমন হলে (অ্যারাইভাল লাউঞ্জ) এই অভিযান পরিচালিত হয়। সরকারের বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা এই পণ্য জব্দের ঘটনায় বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বিমানবন্দর ও কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে ওমানের রাজধানী মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইট শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ফ্লাইটটি পৌঁছানোর পর যাত্রীদের ব্যাগেজ স্ক্যানিংয়ের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে মো. শামসুদ্দিন নামের এক যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই যাত্রীর ব্যাগ থেকে অবৈধভাবে আনা ২৮০ কার্টন বিদেশি সিগারেট উদ্ধার করেন দায়িত্বরত কর্মকর্তারা।
এদিকে, এই ঘটনার ঠিক একই সময়ে আন্তর্জাতিক আগমন হলের লাগেজ বেল্ট এলাকাতেও তল্লাশি অব্যাহত রাখে কর্তৃপক্ষ। তল্লাশি চলাকালে আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে বেশ কয়েকটি ব্যাগ পরিত্যক্ত বা মালিকবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে সন্দেহজনক ওই ব্যাগগুলো খুলে এর ভেতর থেকে আরও ১ হাজার ৬৫ কার্টন বিদেশি সিগারেট এবং একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। তবে এই লাগেজগুলোর কোনো দাবিদার বা মালিককে সেখানে পাওয়া যায়নি।
আরও
এই অভিযানের বিষয়ে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল গণমাধ্যমকে জানান, শনিবার রাতে জব্দ করা মোট ১ হাজার ৩৪৫ কার্টন সিগারেট থেকে সরকারের সম্ভাব্য রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ ছিল প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধারকৃত সিগারেট ও ল্যাপটপটি ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম (ডিএম) মূলে জব্দ করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, অবৈধ সিগারেট আনার দায়ে আটক যাত্রী শামসুদ্দিনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার বিষয়ে মৌখিকভাবে কঠোর সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।










