যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই আমিরাতের ফুজাইরা অয়েল ইন্ডাস্ট্রি জোনে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার চালানো এই হামলায় আমিরাতের পূর্বাঞ্চলের প্রধান এই জ্বালানি স্থাপনায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। এতে তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে ইরান থেকে আমিরাতকে লক্ষ্য করে চারটি ক্ষেপণাস্ত্রও ছোড়া হয়।
এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন করে গভীর উদ্বেগ ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অতীতের একটি সতর্কবার্তার সূত্র ধরে এই হামলাকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। একটি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ইরান প্রতিবেশী দেশ সৌদি আরবকে সতর্ক করে জানিয়েছিল যে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবে। ফুজাইরায় ইরানের এই হামলা সেই পুরোনো হুমকিরই বাস্তবায়ন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আমিরাতের ফুজাইরা এমিরেতের জনসংযোগ বিভাগ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনীর দ্রুত তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেলেও, যুদ্ধবিরতির এই সময়ে আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা স্পষ্টতই একটি বড় ধরনের সামরিক উসকানি। সৌদি আরবের কাছে দেওয়া আমিরাতকে ধ্বংস করার সেই প্রচ্ছন্ন হুমকি এখন আর কেবল সতর্কবার্তায় সীমাবদ্ধ নেই, বরং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে ইরান তা বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেছে বলেই দৃশ্যমান হচ্ছে।









