রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম বিমানবন্দর। প্রতিদিন শতাধিক ফ্লাইট ওঠানামা করে এখানে। তবে দীর্ঘদিন ধরেই যাত্রীদের জন্য ভোগান্তির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্রলি সংকট। একই সময়ে কয়েকটি ফ্লাইট অবতরণ করলে যাত্রীদের লাগেজ নামলেও ট্রলি না পাওয়ায় বসে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।
যাত্রীদের অভিযোগ, বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত ট্রলি থাকলেও সেগুলো ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা সঠিকভাবে কাজ করেন না। ফলে ট্রলি ব্যবহারের জন্য যাত্রীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি এমনকি হাতাহাতির ঘটনাও ঘটছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে সৌদি আরব, ইরাক ও মালয়েশিয়া থেকে একসঙ্গে তিনটি ফ্লাইট অবতরণ করলে এমনই এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
মালয়েশিয়া ফেরত যাত্রী রুবেল জানান, রাতভর ভ্রমণের পর ঢাকায় এসে প্রথমে লাগেজ পেতে দেরি হয়, এরপর ট্রলি সংকটে আরও বিপাকে পড়তে হয়। বিশেষ করে পরিবারের সদস্য নিয়ে ভ্রমণকারীরা বেশি সমস্যায় পড়েন বলে জানান তিনি। অনেক যাত্রী অভিযোগ করেছেন, কর্তব্যরত কর্মীরা ধীরগতিতে কাজ করেন এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখেন না।
আরও
ইরাক ফেরত এক যাত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, ট্রলির সংখ্যা আসলেই কম, নাকি কর্মীদের অবহেলায় যাত্রীরা পাচ্ছেন না। তার দাবি, শত শত যাত্রী নামলেও হাতে গোনা কয়েক ডজন ট্রলি পাওয়া যায়, যা স্পষ্টতই অনিয়মের প্রমাণ।
বিমানবন্দরে ট্রলি সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান রাগিব সামাদ। তিনি বলেন, “একসঙ্গে একাধিক ফ্লাইট নামলে চাপ তৈরি হয়, তখন যাত্রীরা এমন পরিস্থিতিতে পড়েন।” তবে ট্রলি সংখ্যা বাড়ানো হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো আশ্বাস দিতে পারেননি।












