সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় গত নয় মাস ধরে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করছিলেন ওই চিকিৎসক। এ সময় চিকিৎসা নিতে আসা এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার পরিচয় গড়ে ওঠে, যা ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কিবরিয়া খান ওই নারীর সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক বজায় রাখেন।

প্রবাসীর স্ত্রী শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাতে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে রাত সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার স্বর্ণা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আরও
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক প্রায় ছয় মাস ধরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। সর্বশেষ ৩০ আগস্ট রাত ২টার দিকে ওই নারীর বাড়িতে গিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিয়ের প্রসঙ্গ তুললে তিনি নানা অজুহাতে তা এড়িয়ে যান।
ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এনামুল হক জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।












