পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, কোনো ধরনের ভিজিট বা পরিদর্শক ভিসা নিয়ে এবার হজে অংশ নেওয়া যাবে না। হজের পবিত্র আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য সরকারি অনুমোদন বা অফিশিয়াল হজ পারমিট থাকা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে আসন্ন ১৪৪৭ হিজরি হজ মৌসুমের জন্য নির্ধারিত সব ধরনের নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়েছে। শনিবার (২ মে) সৌদি আরবের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
হজের পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিশেষ বিবৃতিতে কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হজের নির্ধারিত নিয়ম লঙ্ঘন করে অফিশিয়াল অনুমতি ছাড়া কেউ হজ করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় আরও স্পষ্ট করেছে যে, পর্যটন, ফ্যামিলি, ব্যবসা বা অন্য যেকোনো উদ্দেশ্যে ভিজিট ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে আসা ব্যক্তিদের হজ করার কোনো আইনি সুযোগ নেই।
সৌদি গেজেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত আসন্ন ১৪৪৭ হিজরি সালের হজ মৌসুমকে সামনে রেখেই তীর্থযাত্রীদের ভিড় সামলাতে এবং সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে আগেভাগেই এই বিধিনিষেধ ও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ চাইছে, শুধুমাত্র বৈধ পারমিটধারী ব্যক্তিরাই যেন হজের পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশাধিকার পান। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বৈধ হাজিদের হজের আনুষ্ঠানিকতা আরও সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করছে দেশটির সরকার।
আরও
অবৈধভাবে হজে অংশগ্রহণকারীদের ঠেকাতে সরকারের পাশাপাশি জনসাধারণের সার্বিক সহযোগিতাও কামনা করেছে সৌদি প্রশাসন। অফিশিয়াল অনুমতি ছাড়া কেউ যদি হজের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের সম্পর্কে দ্রুত প্রশাসনকে তথ্য দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ বা তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের জন্য ৯১১ এবং রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করার সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।









