সৌদি আরবের নাগরিক, দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর নাগরিকরা আগামী ১৫ জিলকদ বা ৩ মে পর্যন্ত পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন। আসন্ন পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর আগে ওমরাহ পালনের জন্য তাঁদের আলাদা কোনো হজ পারমিট বা বিশেষ অনুমতির প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। হজের প্রস্তুতির এই চূড়ান্ত সময়ে অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ওমরাহযাত্রীদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ মে পর্যন্ত মক্কায় প্রবেশের ক্ষেত্রে এই বিশেষ শিথিলতা বজায় থাকবে। এর আগে ভিড় সামাল দিতে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় গত ১ জিলকদ বা ১৯ এপ্রিলের মধ্যে বহির্বিশ্ব থেকে আসা সব বিদেশি ওমরাহ যাত্রীকে নিজ নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। মূলত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হজে আসা লাখ লাখ পুণ্যার্থীর ভিড় সুশৃঙ্খলভাবে সামাল দিতে এবং হজের সার্বিক প্রস্তুতি নির্বিঘ্নে শুরু করতেই বিদেশিদের ক্ষেত্রে ওই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
হজ মৌসুম পুরোদমে শুরু হওয়ার আগে অভ্যন্তরীণ ও জিসিসিভুক্ত দেশের ওমরাহ যাত্রীদের জন্য এটিই শেষ সুযোগ। এই সুযোগ কাজে লাগাতে বর্তমানে মক্কার পবিত্র মসজিদুল হারামে স্থানীয় ও আঞ্চলিক পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল, প্রদেশ ও প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ ওমরাহ পালনের জন্য মক্কায় আসছেন। এর ফলে কাবা শরিফসংলগ্ন হোটেলগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে সাময়িক আবাসন সংকটও তৈরি হয়েছে।
আরও
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সুস্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, আগামী ৩ মে’র পর থেকে হজের মূল কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। ওই নির্দিষ্ট সময়ের পর বৈধ হজ পারমিট বা পূর্বানুমতিপত্র ছাড়া মক্কায় প্রবেশ বা অবস্থান করা আইনত সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। তাই হজের প্রস্তুতির স্বার্থে এবং যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা বা শাস্তি এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ওমরাহ সম্পন্ন করে মক্কা ত্যাগের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।










