ইরানের সেনারা নতুন পদ্ধতি ও যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ‘শিকার’ করছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা ইলহামি। তাঁর দাবি, কৌশলগত দক্ষতা, উন্নত যুদ্ধাস্ত্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে। তবে আকাশ প্রতিরক্ষায় ঠিক কী ধরনের পরিবর্তন বা উদ্ভাবন আনা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। এই সামরিক কর্মকর্তার মতে, ইরানের এমন নতুন কৌশল ও উদ্ভাবনের কারণে শত্রুরা এখন পুরোপুরি বিভ্রান্ত ও হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে গতকালই প্রথমবারের মতো সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫-ই এবং একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট টু মডেলের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। এর মধ্যে এফ-১৫ যুদ্ধবিমানটি ইরানের ভেতরেই বিধ্বস্ত হয়। তবে এ-১০ বিমানটি আঘাত পাওয়ার পর ইরানি আকাশসীমা থেকে বের হয়ে যায় এবং পরে হরমুজ প্রণালির কাছে পারস্য উপসাগরে গিয়ে আছড়ে পড়ে।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এফ-১৫-ই যুদ্ধবিমানের দুই ক্রুর মধ্যে একজনকে ইতিমধ্যে মার্কিন সেনারা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন। তবে অপর ক্রু এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। অন্যদিকে পারস্য উপসাগরে বিধ্বস্ত হওয়া এ-১০ বিমানের পাইলট কোনোক্রমে উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আরব দেশে পৌঁছাতে সক্ষম হন। উদ্ধার হওয়া এই ক্রুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।




![]f](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/06/f.webp)






