আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বসা পশুর হাটে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মনোযোগ কাড়তে একটি কোরবানির গরুর নাম রাখা হয়েছে ‘নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী’। গরুটি প্রচুর খাবার খায় এবং সারাক্ষণ উচ্চস্বরে ডাকতে বা ‘চিল্লাতে’ থাকে। মূলত অদ্ভুত এই স্বভাবের কারণেই খামারি শখ করে বিশাল আকৃতির কালো ষাঁড়টির এমন ব্যতিক্রমী নামকরণ করেছেন, যা এরই মধ্যে হাটে আসা উৎসুক মানুষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
গত রোববার (২৪ মে) এই ষাঁড় ও এর মালিকের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে হাটে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গরুর মালিককে এই নামকরণের পেছনের কারণ তুলে ধরতে দেখা যায়। তিনি জানান, ষাঁড়টির অতিরিক্ত চিৎকার করার প্রবণতা থেকেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, খাবারে কিছুটা ঘাটতি পড়লেই এটি আরও বেশি চেঁচামেচি শুরু করে দেয়।
বিশালাকার এই প্রাণীটির খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে মালিকের দেওয়া তথ্য রীতিমতো অবাক করার মতো। তিনি জানান, দানবীয় এই ষাঁড়টি এক চুমুকেই প্রায় ১২ কেজি চালের জাউ সাবাড় করে ফেলতে পারে। এর পাশাপাশি প্রতিদিন নিয়মিত বিপুল পরিমাণ ঘাস ও খড় তো বরাদ্দ রয়েছেই। খামারি বর্তমানে কোরবানির হাটে এই ষাঁড়টির দাম হাঁকাচ্ছেন ৯ লাখ টাকা এবং কাঙ্ক্ষিত এই দাম পেলেই ‘নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী’কে বিক্রি করে দেবেন বলে জানিয়েছেন।
আরও
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে বেশ রসাত্মক ও কৌতূহলী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে ব্যবহারকারীরা নানা ধরনের মজার মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ রসিকতা করে বলছেন, এমন নাম শুনে গরুটি নিজেই রাগ করবে কি না, আবার কারও মতে, অতিরিক্ত ফিড খাওয়ানোর কারণে সৃষ্ট অস্থিরতা থেকেই গরুটি এমন চিৎকার করছে। সব মিলিয়ে ঈদের আগে কোরবানির পশুর এমন বিচিত্র নামকরণ সাধারণ মানুষের মাঝে বেশ বিনোদনের খোরাক জোগাচ্ছে।










