টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় আলোচিত প্রবাসফেরত জামাল উদ্দিন (৫৫) মারা গেছেন। আজ সোমবার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে উপজেলার কালমেঘা এলাকায় ভাতিজি ইসমত আরার বাড়িতে তাঁর মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২ আগস্ট রাতে কালমেঘা এলাকায় অসুস্থ জামাল উদ্দিনকে রাস্তায় ফেলে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে ভাতিজির বাড়িতে নিয়ে যান। অমানবিক এই ঘটনার কথা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।

আরও
পরে এলাকাবাসীর আর্থিক সহায়তায় গত ৬ আগস্ট তাঁকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে প্রায় এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর গত শুক্রবার তাঁকে পুনরায় ভাতিজির বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই আজ বিকেলে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা যায়, জামাল উদ্দিন দীর্ঘ সময় সৌদি আরবে প্রবাসী ছিলেন। কয়েক মাস আগে অসুস্থ হয়ে দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অসুস্থ অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যাওয়ার পর প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও স্ত্রী ও সন্তানেরা কেউ তাঁর খোঁজ নেননি। তবে স্ত্রী রিনা আক্তারের দাবি, প্রায় আড়াই মাস আগেই তিনি জামাল উদ্দিনকে তালাক দিয়েছেন। জীবনের শেষ সময়ে এসে আপনজনদের চরম অবহেলায় এক অসুস্থ প্রবাসীর এমন করুণ মৃত্যু স্থানীয়দের মনে গভীর ক্ষোভ ও আক্ষেপের জন্ম দিয়েছে।









