Long Popup (2)
সর্বশেষ

ভারতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমালো রাশিয়া

ভারতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমালো রাশিয়াProbashircityWebPopupUpdate

রাশিয়া থেকে ভারতে জ্বালানি তেল আমদানি ২০২৩ সালের নভেম্বরে রেকর্ড ৫৫ শতাংশ কমে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর ২০২২ সালের জুন থেকে এই প্রথমবারের মতো রুশ তেল আমদানি এতটা নেমে এলো।

গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ার (সিআরইএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, এ পরিস্থিতি ভারতের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে।

নভেম্বরে চীন রাশিয়ার অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হিসেবে উঠে এসেছে, যা মোট রপ্তানির ৪৭ শতাংশ। ভারত দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও আমদানি ৩৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও তুরস্কের প্রতিটি ৬ শতাংশ করে আমদানি করেছে।

রাশিয়ার তেলের সরবরাহ হ্রাসের পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে:

মূল্যছাড়ের হ্রাস: রুশ তেলের ওপর দেওয়া ছাড়ের পরিমাণ কমে গেছে।

লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ: লোহিত সাগরের নিরাপত্তা সংকট ও পরিবহন ব্যয়ের বৃদ্ধি।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রভাব: রাশিয়ার তেল পরিবহনে ট্যাঙ্কার বিমা ও শিপিং খরচ বেড়ে যাওয়া।

বিকল্প উৎস: মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি এবং ভেনিজুয়েলার বাজারে ফিরে আসা।

যদিও রাশিয়া এখনো ভারতের সর্ববৃহৎ তেল সরবরাহকারী, তবু মধ্যপ্রাচ্য ও ভেনিজুয়েলার তেলের দিকে ভারতের ঝোঁক বাড়ছে। অতিসুলভ মূল্যে রুশ পেট্রোলিয়ামের চাহিদা ভারতের জন্য ভবিষ্যতেও অটুট থাকতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা রাশিয়াকে তেল বিক্রিতে বড় ছাড় দিতে বাধ্য করেছে, যা ভারত সস্তায় জ্বালানি আমদানির সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

ভারতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমালো রাশিয়া

ভারত সাম্প্রতিক সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও শিখ নেতা হরদীপ সিং হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পড়েছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ভারতের রাষ্ট্রীয় এজেন্টদের এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলেছেন। ভারতের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার তদন্তকে সমর্থন করে এবং ভারতকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে আহ্বান জানায়।

রাশিয়া থেকে সস্তা তেল আমদানির সুযোগ ভারত এখনো বহাল রাখলেও কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ভারসাম্যমূলক নীতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। নিষেধাজ্ঞার প্রভাব, মূল্যছাড়ের হ্রাস, এবং বিকল্প সরবরাহ উৎস ভারতের জ্বালানি খাতের গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

 

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate