প্রবাসী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মান ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে এসব পরীক্ষায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে এক লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া বা লাইসেন্স বাতিলের মতো কঠোর শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে।
সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মূলত স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি, পরীক্ষার ফলাফলের শতভাগ নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্যেই এই বিশেষ নজরদারি অভিযান শুরু করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। অনুমোদিত স্বাস্থ্যবিধিগুলোর যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে এখন থেকে দেশজুড়ে নিয়মিত এই পরিদর্শন কার্যক্রম চলবে।

আরও
অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে অনুমোদিত পরীক্ষা পদ্ধতিগুলো সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে যাচাই করা। এর মধ্যে ল্যাবরেটরির যন্ত্রপাতি ঠিকমতো কাজ করছে কি না এবং সেগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া এসব কেন্দ্রে কর্মরত কারিগরি কর্মীদের দক্ষতা যাচাই এবং পরীক্ষার ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বা জালিয়াতির সুযোগ তৈরি করে, এমন যেকোনো অনৈতিক চর্চা বন্ধের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হয়েছে।
সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে, নিয়মনীতির কোনো ধরনের বরখেলাপ বা অবহেলা প্রমাণিত হলে শুধু জরিমানাই নয়, অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী যেকোনো স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এমনকি চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে ওই প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বা লাইসেন্স একেবারে বাতিলও হতে পারে।










