যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে বলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন উঠেছে। এ বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে এরই মধ্যে কয়েক দফা রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছেন। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, আগামী ৯ নভেম্বর অমাবস্যার রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে ইরানে হামলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ওয়াশিংটন। তবে এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি বলে জানা গেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান ব্র্যাড কুপার ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের বিভিন্ন দিক ও বিকল্প নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিস্তারিত অবহিত করেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন যেকোনো হামলার কঠোর ও দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামনিয়া কড়া ভাষায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পুনরায় হামলা চালায়, তবে ভৌগোলিক সীমানার কোনো তোয়াক্কা না করে তাদের যেকোনো সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানবে ইরান।
এদিকে, ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্যে কিছুটা পরস্পরবিরোধিতা লক্ষ করা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার এক সাক্ষাৎকারে যুদ্ধ বিস্তৃতির বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানোর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে তিনি ইরানের ‘বাকি অংশও ধ্বংস’ করে দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দেন। তবে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারে তিনি কিছুটা সুর নরম করে জানিয়েছেন, আপাতত নতুন করে বড় ধরনের কোনো সামরিক হামলার পরিকল্পনা তাদের নেই; তবে পরিস্থিতি বাধ্য করলে এবং প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।









