Long Popup (2)
সর্বশেষ

নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ১৫টিরও বেশি দেশ

Iran 26ProbashircityWebPopupUpdate

পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, চীন-সহ ১৫টিরও বেশি দেশ। পাশাপাশি ইরানে ভ্রমণ বিষয়ক সতর্কতাও জারি করেছে দেশগুলো।

দেশগুলোর এ পদক্ষেপের প্রধান কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুক্রবারের একটি মন্তব্য। ইরানের পরামাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ৫ দফা সংলাপ হয়েছে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের প্রতিনিধিদের মধ্যে। গতকাল ২৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় পঞ্চম দফা সংলাপ শেষ হওয়ার মাধ্যমে সমাপ্তি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকের।

গতকাল সংলাপ শেষ হওয়ার পর ওয়াশিংটনে এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা। জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ৫ দফা সংলাপের পর যে ফলফল এসেছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন ছোটোখাটো বিষয় নিয়ে সমঝোতা হলেও ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুত এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র প্রকল্প নিয়ে কোনো ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়েছে সংলাপ। ট্রাম্পের অসন্তুষ্টির কারণ এটাই।

কিন্তু শুক্রবার মন্তব্যের পর থেকেই নাগরিকদেদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানানো শুরু করে বিভিন্ন দেশ। কারণ জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমা এবং ইসরায়েলে যুদ্ধজাহাজ, বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত কয়েক দিনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তার নেতৃত্বাধীন প্রশাসনের কর্মকর্তারা একাধিকবার ইঙ্গিত দিয়েছেন—যে কোনো সময় হামলা হতে পারে ইরানে।

ফ্লাইট বাতিল

নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে কোনো দেশ থেকে সরাসরি তেহরানে নামতে পারে না কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, এ কারণে যারা ইরানে যেতে ইচ্ছুক কিংবা ইরান থেকে বাইরের কোনো দেশে যেতে চান— তাদের প্রথমে তুরস্কের ইস্তাম্বুল আসতে হয়— তারপর সেখান থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে উঠতে হয়।

এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় তেহরান-ইস্তাম্বুল আপডাউন ফ্লাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।

সূত্র : এএফপি, গালফ নিউজ

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate