লন্ডনের ব্যস্ততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিথ্রোতে ‘পেপার স্প্রে’ ধরনের রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপের ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ একজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আরও কয়েকজনকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, টার্মিনাল–৩ এর মাল্টি–স্টোরি কার পার্ক এলাকায় একদল পরিচিত ব্যক্তির মধ্যে বিরোধের জেরে এই সহিংসতা ঘটে।
ঘটনার পর পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং ঘটনাস্থলেই আরও ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। পুলিশ নিশ্চিত করেছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন; এর সঙ্গে সন্ত্রাসবাদ, কোনো সংগঠিত বিক্ষোভ বা জননিরাপত্তা–সংক্রান্ত হুমকির সম্পর্ক নেই।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলের আশপাশে কিছু সময়ের জন্য বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। আতঙ্কিত যাত্রীদের লাগেজ হাতে দ্বিধান্বিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে পুলিশ যাত্রীদের গাড়ির টানেল দিয়ে হেঁটে টার্মিনালে যেতে নিষেধ করে এবং সেই পথে শুধুমাত্র যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।
আরও
এমন পরিস্থিতিতে অনেক যাত্রী চলন্ত ট্যাক্সি থামানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। পরে জরুরি পরিষেবার কর্মীরা জানায়, হেঁটে রওনা দেওয়া যাত্রীদের জন্য বিকল্প বাস সেবা দেওয়া হবে, তবে কেউ পায়ে হেঁটে টার্মিনালে যেতে পারবেন না। বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় অতিরিক্ত সময় হাতে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।











