Opens in a new tab
সর্বশেষ

শ্রম বাজার খুলতে মালয়েশিয়ার তিন শর্ত

Malaysia requests bangladesh toWeb Popup (3)

মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কেন্দ্র পুত্রজায়ায় বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফি সিদ্দিকির সাথে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ বিষয়ক মন্ত্রীর যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় লুৎফি সিদ্দিকি বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক বিভিন্ন এজেন্সির ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে মানবপাচার ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে করা ‘হয়রানিমূলক’ মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। মালয়েশিয়া মনে করে, এই অভিযোগগুলো তাদের অভিবাসন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।

মালয়েশিয়া সরকার জোর দিয়ে বলেছে, এসব মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি বা প্রত্যাহারের মাধ্যমে অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা জরুরি। একই সঙ্গে তারা শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং সহযোগী এজেন্সি (অ্যাসোসিয়েট বেয়ারার) পদ্ধতি পরিহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

মালয়েশিয়া আগামী কয়েক বছরে প্রায় ১২ লাখ শ্রমিক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা জানান, মালয়েশিয়ায় সাধারণ শ্রমিকদের বেতন মধ্যপ্রাচ্যের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি। কিছু প্রশাসনিক জটিলতায় বিগত এক বছর ধরে এই শ্রমবাজার বন্ধ থাকলেও, তা এখন কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।

এই বিশাল শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ এবং অভিবাসী শ্রমিক- উভয় পক্ষই উপকৃত হবে। এতে দেশের রেমিটেন্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, স্বচ্ছ ও সাশ্রয়ী ব্যবস্থার মাধ্যমে শ্রমিকরা নিরাপদে মালয়েশিয়ায় অভিবাসনের সুযোগ পাবেন।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)