চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্স বাংলাদেশের বন্দরনগরী চট্টগ্রাম থেকে চীনের কুনমিং পর্যন্ত ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করছে। এর ফলে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের মানুষ সহজে চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কুনমিংয়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে পারবেন। শনিবার (৩০ মার্চ) চীনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, চীন এরই মধ্যে কুনমিংয়ের চারটি হাসপাতাল বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিশেষভাবে বরাদ্দ করেছে। তবে বিমান ভাড়ার উচ্চ খরচকে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কুনমিং ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর ফলে ভ্রমণের খরচ ও সময় উভয়ই কমে যাবে। ফলে বাংলাদেশি রোগীরা সহজেই চীনের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
আরও
বাংলাদেশের চীনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত নাজমুল ইসলাম বলেছেন, কুনমিং কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি রোগীদের জন্য হাসপাতালের নির্দিষ্ট তলা বরাদ্দ করেছে।
চিকিৎসার খরচও বেশ যুক্তিসংগত। একজন বাংলাদেশি রোগী চীনা নাগরিকদের সমান খরচেই চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন, বলেছেন রাষ্ট্রদূত ইসলাম।
কুনমিং ভ্রমণ সহজতর করতে ঢাকা ও কুনমিং রুটে বিমান টিকিটের দাম কমানোর উদ্যোগও নিয়েছে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশিদের জন্য আরও স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা উন্মুক্ত করবে।
এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ থেকে একটি বড় সাংবাদিক দল কুনমিং সফরে যাবেন। তারা সেখানে চিকিৎসা সুবিধাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করবেন।
গত মাসে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি রোগী প্রথমবারের মতো কুনমিংয়ে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলেন। তারা হাসপাতালের মানের প্রশংসা করেছেন, তবে অনেকেই বিমান ভাড়ার উচ্চ খরচ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।











