তুরস্কের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত মারদিন শহরে ভ্রমণ করতে এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এক দক্ষিণ কোরীয় পর্যটক। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। শেভন নামের ওই কোরীয় তরুণ প্রাচীন এই শহরের ঐতিহাসিক গাম্ভীর্য ও মুসলিম সংস্কৃতির সান্নিধ্যে এসে গভীরভাবে প্রভাবিত হন এবং স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
আরতুকলু জেলা মুফতির কার্যালয়ের এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়, শেভনের আগ্রহের ভিত্তিতে কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার ধর্মান্তর প্রক্রিয়ার আয়োজন করা হয়। জেলার মুফতি সুলেমান বারানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শেভন ইসলামের মূল ইমানি বাক্য ‘কালেমা শাহাদাত’ পাঠ করে মুসলিম হিসেবে নিজের নতুন জীবন শুরু করেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নিজের নতুন নাম রেখেছেন ‘আবদুল্লাহ’। আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবমুসলিম এই তরুণের হাতে মুফতি সুলেমান বারান একটি পবিত্র কুরআন উপহার হিসেবে তুলে দেন।
শত শত বছরের পুরোনো পাথুরে স্থাপত্য, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন ধর্ম ও সভ্যতার অপূর্ব মেলবন্ধনের জন্য তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মারদিন বিশ্বজুড়েই পর্যটকদের কাছে দারুণ আকর্ষণীয়। প্রতি বছর দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো দর্শনার্থী শহরটির ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, মাদ্রাসা ও প্রাচীন স্থাপনাগুলো দেখতে ভিড় জমান। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের এই প্রাচীন জনপদের আধ্যাত্মিক পরিবেশ এবং স্থানীয় মুসলিমদের জীবনাচরণই শেভন তথা বর্তমান আবদুল্লাহর এই মানসিক রূপান্তরে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও
আরও দেখুন










