অতিরিক্ত মাদক ও অ্যালকোহল সেবনের কারণে সৌদি যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে। ব্রিটিশ আদালত নিশ্চিত করেছে যে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। গত বছরের ২৫ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বিলাসবহুল ম্যারিয়ট হোটেলের শৌচাগার থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ময়নাতদন্ত ও টক্সিকোলজি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর সময় যুবরাজের রক্তে উচ্চমাত্রায় অ্যালকোহলের পাশাপাশি গামা-হাইড্রোক্সিবিউটিরেট (জিএইচবি), গাঁজা ও জ্যানাক্সসহ বিভিন্ন মাদকের প্রাণঘাতী মিশ্রণ ছিল। চিকিৎসকদের মতে, শরীরে আগে থেকে কোনো গুরুতর রোগ না থাকলেও মাদক ও অ্যালকোহলের এই সম্মিলিত প্রভাবেই তাঁর হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।
সৌদি বাদশাহ সালমানের প্রপিতামহের বংশধর এই যুবরাজ দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল ও মাদকাসক্তিতে ভুগছিলেন এবং মৃত্যুর তিন মাস আগে চিকিৎসাও নিয়েছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ব্রিটিশ আদালত জানিয়েছে, ঘটনার রাতে যুবরাজ কক্ষে একাই ছিলেন এবং এতে অন্য কারও সম্পৃক্ততা নেই। তাই সার্বিক তথ্যপ্রমাণ যাচাই করে আদালত এটিকে ‘একাধিক মাদক গ্রহণের কারণে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে চূড়ান্ত রায় দিয়েছেন।








