হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ করিডোরে মার্কিন সমর্থিত বাণিজ্যিক নৌপথে একটি তেলের ট্যাংকার লক্ষ্য করে ইরান একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আজ সোমবার (১০ আগস্ট) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই হামলার পর ওমান উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ‘হরমুজ লেটার’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথম প্রকাশিত ভিডিও এবং তথ্যে দেখা যায়, সোমবার ভোরে দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়। এক্সে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয়েছে, অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ওই ট্যাংকারটিতে আঘাত হেনেছে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ ইরানের আকাশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করার অসমর্থিত দাবিও উঠেছে।
তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও), মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড, ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম বা শীর্ষ কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সত্যতা নিশ্চিত করা হয়নি। এমনকি আক্রান্ত জাহাজের নাম, মালিকানা, নাবিকদের বর্তমান অবস্থা বা মোট ক্ষয়ক্ষতির কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যও এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
আরও
এর আগে গত ৮ আগস্ট খাসাব থেকে ১৮ নটিক্যাল মাইল পূর্বে একটি জাহাজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতের কথা নিশ্চিত করেছিল ইউকেএমটিও। ইরান দীর্ঘদিন ধরেই সতর্ক করে আসছে যে, তেহরানের নির্ধারিত নৌপথ না মানলে সংশ্লিষ্টদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই তেল পরিবাহী নৌপথে এ ধরনের আক্রমণের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম, জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি এবং বিমা খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘আচরণ সংশোধন’ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খোলা হবে না বলেও ইরান আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছে।










