বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ওমানের ভিসা বন্ধের পর ইতিমধ্যে কেটে গেছে দীর্ঘ ৯৬৬ দিন। ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর রয়্যাল ওমান পুলিশ আকস্মিকভাবে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের নতুন ভিসা ইস্যু স্থগিত করার ঘোষণা দেয়। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান এই শ্রমবাজারে দীর্ঘ প্রায় ৩২ মাস ধরে চলা এই নিষেধাজ্ঞার কারণে ওমানে যেতে ইচ্ছুক হাজারো বাংলাদেশি কর্মী চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তবে এই দীর্ঘ স্থবিরতা কাটিয়ে বাজারটি পুনরায় সচল করতে দুই দেশের সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনা বেশ জোরদার হয়েছে।
ভিসা বন্ধের এই দীর্ঘ সময়ে বেশ কিছু ইতিবাচক অগ্রগতিও লক্ষ্য করা গেছে। নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর গত বছর ওমান সরকার প্রথম দফায় কিছুটা নমনীয় অবস্থান দেখায়। সে সময় চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী এবং পারিবারিক ভিসাসহ মোট ১০টি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা পুনরায় চালু করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সাধারণ প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ক ভিসার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞাপরবাসীএখনো পুরোপুরি তুলে নেওয়া হয়নি।
এই ভিসা জট পুরোপুরি খোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ওমান প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ওমান সরকার মূলত তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ শ্রমবাজারের ভারসাম্য রক্ষা এবং অবৈধ প্রবাসীদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, ওমানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া এবং নতুন কর্মীদের ডাটাবেজ তৈরির বিষয়ে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। দুই দেশের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী বৈঠকগুলোতে সাধারণ কর্মীদের জন্য শ্রম ভিসা চালুর বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ও ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করা হচ্ছে।
আরও







![Hgxzjop[]](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/06/hgxzjop.webp)

