উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে কুয়েতে প্রবেশে জটিলতায় পড়া বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য জরুরি ও নতুন নির্দেশনা জারি করেছে কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস। বুধবার (২২ এপ্রিল) দূতাবাসের প্রথম সচিব মো. শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা জানানো হয়। মূলত কুয়েত সরকারের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রবাসীদের সিভিল আইডি ও ভিসার বৈধতা রক্ষার বিষয়ে এই বিশেষ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

কুয়েত সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, যেসব বিদেশি নাগরিকের কাছে কুয়েতের বৈধ সিভিল আইডি রয়েছে কিন্তু পরিস্থিতির কারণে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, তাঁদের জন্য তিন মাস মেয়াদি বিশেষ ‘ইলেকট্রনিক লিভ পারমিট’ প্রদান করা হবে। এই লিভ পারমিট গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা দেশের বাইরে থাকলেও তাঁদের সিভিল আইডির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা ও ডেটাবেইস ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করা হয়েছে।
আরও
তবে প্রবেশ ভিসার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কুয়েত কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসরকারি খাতে চাকরি, গৃহকর্মী, পারিবারিক পুনর্মিলনসহ বিভিন্ন ধরনের এন্ট্রি ভিসা ধারণকারী যেসব বিদেশি নাগরিক বর্তমান পরিস্থিতির কারণে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কুয়েতে প্রবেশ করতে পারেননি, তাঁদের ভিসার মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না। অর্থাৎ, যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাঁরা ওই পুরনো ভিসায় আর কুয়েত প্রবেশ করতে পারবেন না।


এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তা বা আবেদনকারীকে প্রচলিত নিয়ম মেনে পুনরায় নতুন করে প্রবেশ ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে ভিসা ইস্যু পুনরায় শুরু হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই এই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে দূতাবাস। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কুয়েত প্রবাসীদের সংশ্লিষ্ট নিয়মগুলো অনুসরণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে এবং প্রয়োজনে দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।










