ইরানজুড়ে মার্কিন সামরিক হামলার পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠেছে。 এর মধ্যে বাহরাইন, জর্ডান এবং কুয়েতের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার পর বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির নাগরিকদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো ধরনের উন্মুক্ত স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছে। এই সতর্কবার্তার পরপরই এক বিবৃতিতে ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, বাহরাইনে অবস্থিত শেখ ইসা বিমান ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে তারা। তেহরানের দাবি অনুযায়ী, ওই ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক ড্রোনের রক্ষণাবেক্ষণ স্থাপনা এবং কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টারই ছিল তাদের এই হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু।
অন্যদিকে, জর্ডানেও একযোগে বেজে উঠেছে সতর্কতামূলক সাইরেন। সেখানে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা জর্ডানের বিভিন্ন জ্বালানি ডিপো এবং গোলাবারুদ মজুত রাখার কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালিয়েছে।
আরও
এরই মধ্যে কুয়েতেও কিছুক্ষণ আগে দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। কুয়েত সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা শত্রুর যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিহত করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। এ সময় আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কার্যকর থাকার কারণে যেকোনো ধরনের বিকট শব্দ শুনে জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুয়েত সেনাবাহিনী আরও স্পষ্ট করেছে যে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রুর নিক্ষিপ্ত প্রজেক্টাইল (ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র) আকাশে ধ্বংস করার কারণেই মূলত এমন বিকট শব্দ হচ্ছে।










