ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কূটনৈতিক আলোচনার পর ভারতীয় দুটি তেলের জাহাজকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দিয়েছে তেহরান। গত বুধবার (১১ মার্চ) এই অনুমতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এই ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক তৎপরতার একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার মূল লক্ষ্যই ছিল ভারতীয় জাহাজের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথটি খোলা রাখা। মূলত কাঁচা তেল ও এলপিজি সরবরাহে যাতে বড় ধরনের কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়, সেটি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। কারণ, ভারতের সার্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সামুদ্রিক রুটের স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে সফল আলোচনার পর ইরানি কর্তৃপক্ষ ভারতীয় জাহাজগুলোকে ওই প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি দিলেও যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ইসরায়েলের অনেক জাহাজ এখনো সেখানে আটকা পড়ে আছে। জানা গেছে, ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনার আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এই সংকট নিরসনে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এবং ফ্রান্সের জঁ-নয়েল বারোর মতো অন্যান্য আন্তর্জাতিক মিত্রদের সঙ্গেও বিস্তারিত পরামর্শ করেছিলেন।
আরও
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতার কারণে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহে ইতিমধ্যে মারাত্মক বিঘ্ন দেখা দিয়েছে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে দেশটির হোটেল ও রেস্তোরাঁ খাতে। গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে বেঙ্গালুরু, চেন্নাই ও মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরগুলোর অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।





![]jhgfdsa](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/04/jhgfdsa.webp)




