Opens in a new tab
সর্বশেষ
ব্রেকিং

বিশ্বের একমাত্র ব্যক্তি যিনি ভিসা ছাড়াই যেকোনও দেশে যেতে পারেন

Sample 6Web Popup (3)

বিশ্বের প্রায় সব দেশের নাগরিকদের মতোই আন্তর্জাতিক ভ্রমণের জন্য সাধারণত বৈধ পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় ভিসা থাকা বাধ্যতামূলক। এই নিয়ম রাষ্ট্রপ্রধান, কূটনীতিক, এমনকি জাতিসংঘ মহাসচিবের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে পৃথিবীতে এমন একজন ব্যক্তি আছেন, যিনি এই নিয়মের বাইরে—তিনি হলেন পোপ, ক্যাথলিক চার্চ এবং ভ্যাটিকান সিটির প্রধান।

বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র ভ্যাটিকানের এই প্রধানের জন্য ভিসা বা পাসপোর্টের বাধ্যবাধকতা নেই। পোপ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কূটনীতিক হিসেবে বিশেষ মর্যাদা ভোগ করেন, ফলে বিশ্বের অধিকাংশ দেশে তিনি ভিসা ছাড়াই প্রবেশ করতে পারেন। প্রয়াত পোপ ফ্রান্সিস এরই ধারাবাহিকতায় জীবদ্দশায় ৫০টিরও বেশি দেশ সফর করেছেন, কোনো দেশের ভিসা ছাড়াই।

ভ্যাটিকান নাগরিক হিসেবে পোপ আন্তর্জাতিক আইনে বিশেষ কূটনৈতিক সুবিধা পান। সরকারি সফরে গেলে তাঁকে প্রতিটি দেশ রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে গ্রহণ করে এবং ভিসা ছাড়সহ সব ধরনের প্রটোকল সুবিধা দেয়। যদিও চীন বা রাশিয়ার মতো কয়েকটি দেশ রাজনৈতিক কারণে বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করতে পারে, সাধারণত পোপের ভ্রমণে কোনো বাধা থাকে না।

পোপের এই বিশেষ মর্যাদার সূচনা ১৯২৯ সালের ল্যাটেরান চুক্তির মাধ্যমে, যা ভ্যাটিকান সিটির সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশনে তাঁকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে বিশেষ অধিকার প্রদান করা হয়।

পোপ তাঁর নিজস্ব বিমানে, ‘শেফার্ড ওয়ান’-এ ভ্রমণ করেন—যা ক্যাথলিক চার্চে তাঁর “ঈশ্বরের পালের রাখাল” পরিচয়ের প্রতীক। বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধান যেমন ব্রিটিশ রাজপরিবার বা জাপানি সম্রাট কিছু প্রটোকল সুবিধা পেলেও, পোপের মতো পূর্ণ ভিসা-মুক্ত ভ্রমণ সুবিধা তাদের নেই।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)