Opens in a new tab
সর্বশেষ
ব্রেকিং

বাসররাতে মুখ ধোয়ার পর কনেকে চিনতে পারলো না বর, অতঃপর…

ThakurgaonWeb Popup (3)

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বিয়ের পর ‘কনে বদল’ অভিযোগ ঘিরে সৃষ্টি হওয়া জটিলতা আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যায়ে গড়িয়েছে। গত বছরের ১ আগস্ট রায়হান কবিরের সঙ্গে জিয়ারুল হকের মেজো মেয়ের বিয়ে সম্পন্ন হলেও বাসররাতে বর দাবি করেন, বিয়ের আগে যাকে দেখানো হয়েছিল, বাসরঘরে উপস্থিত কনে সেই ব্যক্তি নন। অতিরিক্ত সাজসজ্জার আড়ালে প্রতারণা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।

এ অভিযোগের ভিত্তিতে রায়হান কবির ২৭ আগস্ট মেয়ের বাবা জিয়ারুল হক ও ঘটক মোতালেবকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে ২ সেপ্টেম্বর কনের পরিবার পাল্টা মামলা করে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার জন্ম দিলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

বরপক্ষের দাবি, ঘটকের মাধ্যমে পাত্রী ঠিক করা হয় এবং মেয়েপক্ষ দ্রুত বিয়ের জন্য চাপ দিয়েছিল। বিয়ের রাতে কনেকে চিনতে না পারায় প্রতারণার বিষয়টি স্পষ্ট হয় বলে তাদের অভিযোগ। অন্যদিকে কনের বাবা জিয়ারুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিয়ের আগে ছেলে পক্ষ তার মেয়েকে দেখেছে এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তিনি যৌতুক দাবির অভিযোগকেও ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন।

ঘটক মোতালেবও কনে বদলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানান, তিনি ছেলেপক্ষকে অন্য কোনো মেয়ে দেখাননি এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করা হয়েছিল ছেলেপক্ষের আগ্রহেই। উভয় পক্ষের অবস্থান বিরোধপূর্ণ হওয়ায় বিষয়টি আদালতের বিচারের ওপর নির্ভর করছে।

ঠাকুরগাঁও আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও ছেলেপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন বলেন, একাধিকবার মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি বিচারাধীন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশে রায়হান কবির পূর্বে জামিনে থাকলেও সম্প্রতি তার জামিন নামঞ্জুর হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)