Long Popup (2)
সর্বশেষ

ইরান ইস্যুতে সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প, বেঁধে যেতে পারে যুদ্ধ

ProProbashircityWebPopupUpdate

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, তেহরানের আচরণ পরিবর্তন না হলে সামরিক শক্তি প্রয়োগ কিংবা সরকার পরিবর্তনের মতো কঠোর বিকল্পগুলো এখনো টেবিলের ওপর রয়েছে। হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অভিযোগ করেন, ইরান আলোচনার টেবিলে সততা দেখাচ্ছে না। ট্রাম্প স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না এবং কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দিলেও প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নিতে ওয়াশিংটন দ্বিধা করবে না।

সম্প্রতি জেনেভায় অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বৈঠকটি কোনো সুনির্দিষ্ট ফল ছাড়াই শেষ হয়েছে, যা দুই দেশের উত্তেজনাকে আরও উসকে দিয়েছে। তবে মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদি দাবি করেছেন যে, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে এবং একটি শান্তিচুক্তি এখন নাগালের মধ্যে। তার মতে, ইরান বোমা তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপাদান না রাখা এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে সম্মত হয়েছে। এমনকি আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থাকে (আইএইএ) পূর্ণ প্রবেশাধিকার দেওয়ার বিষয়েও তেহরান ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে বলে তিনি জানান।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার প্রস্তুতি হিসেবে দুটি বিমানবাহী রণতরীসহ শক্তিশালী নৌবহর মোতায়েন করা হয়েছে। এর মাঝেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইসরায়েল থেকে তাদের অপ্রয়োজনীয় সরকারি কর্মী ও পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে এবং সাধারণ নাগরিকদের বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু থাকতেই ইসরায়েল ছাড়ার পরামর্শ দিয়েছে। আগামী সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইসরায়েল সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে ইরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং নিজেদের মাটিতে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকার বজায় রাখার অবস্থানে অনড় রয়েছে। আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা জানিয়েছে, সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় ইরানি স্থাপনাগুলোর প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে তারা নিশ্চিত হতে পারছে না। এই জটিলতার মধ্যেই আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় দুই পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। একদিকে কূটনীতি আর অন্যদিকে সামরিক প্রস্তুতি—এই দুই পথ খোলা রেখেই বর্তমানে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate