Opens in a new tab
সর্বশেষ

মসজিদে গিয়ে টিকটক করায় স্কুলছাত্রী বহিষ্কার!

Sfsf22Web Popup (3)

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুলড্রেস পরিহিত অবস্থায় মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিতর্কিত ঘটনার জের ধরে রোববার দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড়পত্র বা টিসি দেওয়া হয়েছে। পবিত্র ধর্মীয় উপাসনালয়ে এ ধরনের অপেশাদার কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে ও নেট দুনিয়ায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হওয়ার পরই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

Expulsion school student

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বহিষ্কৃত ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। সে ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল। সম্প্রতি ওই ছাত্রী নিজের স্কুলড্রেস পরিহিত অবস্থায় একটি মসজিদে প্রবেশ করে মোবাইল ফোনে টিকটক ভিডিও ধারণ করে এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে। মুহূর্তের মধ্যেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেলে নেটিজেনরা ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা নষ্ট হওয়া এবং শিক্ষার্থীর এমন আচরণের তীব্র সমালোচনা শুরু করেন।

ঘটনার তীব্রতা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান স্বাক্ষরিত এক আনুষ্ঠানিক নোটিশের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ওই ছাড়পত্রে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার এমন বিতর্কিত টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মতো একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম ও ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা সম্পূর্ণরূপে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার পরিপন্থী।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য কোনো শিক্ষার্থী যেন এ ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই তাকে ছাড়পত্র দেওয়ার মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে জানান, বিদ্যালয়ের সার্বিক শৃঙ্খলা ও সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থেই কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন সবসময় নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের চরিত্র গঠন করে, সেটি নিশ্চিত করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)