Opens in a new tab
সর্বশেষ
ব্রেকিং

কারাগার থেকে ভোট দিলেন সালমান-আনিসুল-পলক

FileWeb Popup (3)

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কারাবন্দিরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় শুক্রবার পর্যন্ত মোট নিবন্ধিত ৫ হাজার ৯৯০ জন বন্দির মধ্যে ৪ হাজার ৬৭ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা চলমান সংস্কার বিষয়ক গণভোটেও অংশ নিয়েছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এই বিশেষ ভোটগ্রহণের শেষ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন নিবন্ধনকৃত বাকি ১ হাজার ৯২৩ জন বন্দি ভোট দিতে পারবেন। কারা সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ভোট দেবেন না, তাদের ভোট বাতিল হবে।

এই ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছেন কারাগারে থাকা একাধিক সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রায় অর্ধশত ভিআইপি বন্দি। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ৩৯ জন উচ্চপ্রোফাইল বন্দি ভোটদাতা হিসেবে নিবন্ধন করেছিলেন। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী আনিসুল হক, রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু এবং জুনাইদ আহমেদ পলক।

নিবন্ধিত এই ভিআইপিদের মধ্যে ২২ জন রাজনৈতিক নেতা ছাড়াও ১১ জন সাবেক সচিব ও পাঁচজন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। ঢাকা বিভাগকে দুটি সাংগঠনিক ভাগে ভাগ করে ভোট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিভাগ-১-এ ১ হাজার ৪৭৬ জন এবং ঢাকা বিভাগ-২-এ ১ হাজার ১৮৩ জন বন্দি নিবন্ধিত হয়েছেন।

সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) জান্নাত-উল-ফরহাদ জানান, প্রত্যেক নিবন্ধিত বন্দিকে তিনটি খামসহ একটি প্যাকেট দেওয়া হচ্ছে। প্যাকেটে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ও গণভোটের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সম্বলিত পৃথক ব্যালট পেপার রয়েছে।

বন্দিরা তাদের পছন্দের ব্যালট পেপারে ভোট দিয়ে খামগুলো আঠা দিয়ে বন্ধ করে কারারক্ষীদের কাছে জমা দিচ্ছেন। এরপর কারা কর্তৃপক্ষ ডাক বিভাগের মাধ্যমে এক্সপ্রেস পদ্ধতিতে খামগুলো নির্বাচন কমিশনে পাঠাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটের সঙ্গে পোস্টাল ব্যালটগুলো যুক্ত করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবে।

কারা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ৫২১ জন, ৪ ফেব্রুয়ারি ৯৮৮ জন, ৫ ফেব্রুয়ারি ১ হাজার ১৩৮ জন এবং শুক্রবার ৪২০ জন বন্দি ভোট দিয়েছেন। গত ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন সপ্তাহব্যাপী অনলাইন নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অ্যাপের মাধ্যমে কারা কর্তৃপক্ষ এই নিবন্ধন কার্যক্রমে সহায়তা করে।

সেই সময়ে দেশের ৭৫টি কারাগারে মোট ৮৬ হাজার বন্দি থাকলেও তাদের মধ্যে মাত্র ৫ হাজার ৯৯০ জন ভোটার নিবন্ধন করেন। ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় ৩৮০টি আবেদন বাতিল করা হয়। অনেক বন্দি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন করতে পারেননি।

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)