শত শত কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করেও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলা ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে সৌদি আরব। প্যাট্রিয়ট, থাড কিংবা এফ-১৫ যুদ্ধবিমানের মতো বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষাব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনাগুলো একের পর এক হামলার শিকার হচ্ছে। বছরে ৮৩ বিলিয়ন ডলার সামরিক খাতে ব্যয় করার পরও নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষিত রাখতে না পারায় এখন মার্কিন অস্ত্রের কার্যকারিতা ও সীমাবদ্ধতা নিয়েই বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হুতি বিদ্রোহীরা অত্যন্ত সুকৌশলে হামলা চালাচ্ছে। তারা দূরপাল্লার ড্রোনের সঙ্গে ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ মিসাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে একসঙ্গে বিভিন্ন দিক থেকে আঘাত হানছে, যা সৌদির রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে দিচ্ছে। এছাড়া সৌদি আরবের বিশাল ভূখণ্ডের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে একসঙ্গে সুরক্ষিত রাখাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একটি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করলে অন্যটি অরক্ষিত থেকে যাচ্ছে এবং ঠিক এই সুযোগটিই কাজে লাগিয়ে রিয়াদকে চরম চাপের মুখে ফেলছে হুতিরা।
আরও


বছরের পর বছর মার্কিন অস্ত্রের ওপর অন্ধ নির্ভরতাই এখন রিয়াদের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হুতিদের সাধারণ ড্রোন বা সস্তা প্রযুক্তির মিসাইল ঠেকাতেও সৌদিকে ব্যবহার করতে হচ্ছে কোটি টাকা দামের ব্যয়বহুল প্যাট্রিয়ট মিসাইল। প্রতিটি হামলায় পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে দ্রুত ফুরিয়ে আসছে তাদের অস্ত্রের মজুত। এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার জেরে খোদ যুক্তরাষ্ট্রই নিজেদের প্রতিরক্ষার মজুত নিয়ে এখন চরম চাপে আছে। ফলে এই সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজনীয় অস্ত্র দিয়ে তারা সৌদিকে কতটা সহায়তা করতে পারবে, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি হয়েছে।










