সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশির মধ্যে শনাক্ত হওয়া নয়জনের মরদেহ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দেশে আসছে। রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণসহ যাবতীয় আইনি আনুষ্ঠানিকতা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় মরদেহগুলো ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে ওই সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মীর মর্মান্তিক প্রাণহানি ঘটে। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপ পরীক্ষার মাধ্যমে নিখুঁতভাবে নয়জন মৃত বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করে। পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পরই তাঁদের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিকতা দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয় এবং বাকিদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলমান রয়েছে।
সৌদি দূতাবাস থেকে পাঠানো তালিকা অনুযায়ী, শনাক্ত হওয়া ওই নয়জনের মধ্যে সাতজনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। তাঁরা হলেন উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের দুই ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী, বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং মার্কাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আবদুল জলিল সরদার। অপর দুজন হলেন নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের আশরাফুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের কলিমুদ্দিন মাঝির ছেলে শ্যামল উদ্দিন মাঝি।










