ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথি বিদ্রোহীরা এবার সৌদি আরবের জিজান শহরে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে। শনিবার দুপুরে নিজেদের আনসারুল্লাহ-সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম চ্যানেলে এই দাবি করে গোষ্ঠীটি। সংবাদমাধ্যম আরটিই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুথিদের এই হামলার পর জিজান শহরে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে ইয়েমেনে নিজেদের সামরিক স্থাপনায় সৌদি আরবের বিমান হামলার কড়া প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল হুথিরা।
লোহিত সাগরে সৌদি জাহাজে হামলা এবং সেখানে অবরোধ আরোপের জেরে সম্প্রতি ইয়েমেনে অভিযান চালায় সৌদি জোট। রিয়াদের এই সামরিক পদক্ষেপকে ‘বিপজ্জনক’ আখ্যা দিয়ে কড়া জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেয় হুথি গোষ্ঠী। এরই ধারাবাহিকতায় সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় শনিবার জিজান ও ইয়ানবু এলাকায় সিভিল ডিফেন্স সাময়িক সতর্কতা জারি করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা প্রত্যাহার করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানায়।
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই হামলা পুরো অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত বিস্তারের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ এবং লোহিত সাগরে হুথিদের বেপরোয়া তৎপরতায় আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বড় কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি; তবে তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।










