অতীতের বিরোধ পেছনে ফেলে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছে লেবাননের ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ। শুক্রবার এক টেলিভিশন ভাষণে দলটির নেতা নাঈম কাসেম বলেন, আঞ্চলিক শক্তিগুলোর উচিত হিজবুল্লাহ নয়, বরং ইসরায়েলকে মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান হুমকি হিসেবে দেখা।
২০১৬ সালে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো হিজবুল্লাহকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে। পরে রিয়াদ ও ওয়াশিংটন লেবানন সরকারকে হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র করার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল। গত বছর ইসরায়েলের হামলায় সংগঠনটি বড় ধাক্কা খায় এবং শীর্ষ নেতা নিহত হন।
কাসেম বলেন, হিজবুল্লাহর অস্ত্র শুধুই ইসরায়েলের বিরুদ্ধে, কোনো আরব দেশ বা অন্য কারও বিরুদ্ধে নয়। তিনি সতর্ক করেন, হিজবুল্লাহর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে কেবল ইসরায়েলই লাভবান হবে।
আরও
একসময় সৌদি আরব লেবাননে বিপুল অর্থ সহায়তা দিয়েছিল এবং যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল। তবে ইরানের সহায়তায় হিজবুল্লাহর প্রভাব বাড়তে থাকায় দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হয়। ২০২১ সালে রিয়াদ লেবাননের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করে এবং নিজেদের দূত ফিরিয়ে নেয়।
তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনে পরিস্থিতি নতুন মোড় নিচ্ছে। ইসরায়েলের হামলায় দুর্বল হওয়ার পর এবং সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর হিজবুল্লাহ এখন সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।











