সর্বশেষ

সৌদি থেকে ছেলের লাশ নিয়ে ফিরলেন প্রবাসী বাবা

Expatriate father returns from saudi arabia with son's bodyWeb Popup (3)

পরিবারের দারিদ্র্য ঘোচাতে মাত্র দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়নের জামালহাঁটকুড়া গ্রামের তরুণ আরিফ হোসেন। প্রবাসজীবনের শুরুটা ভালোই চলছিল তার। কিন্তু চলতি মাসের ১৮ জুলাই এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন তিনি, যা শেষ পর্যন্ত কেড়ে নেয় তার প্রাণ।

আরিফের বাবা লাল মিয়া দীর্ঘ এক যুগ ধরে সৌদি আরবে কর্মরত। ছেলের দুর্ঘটনার খবর শুনে তড়িঘড়ি করে ছুটে যান হাসপাতালে। কিন্তু পৌঁছানোর আগেই মর্মান্তিকভাবে জানতে পারেন ছেলের মৃত্যুসংবাদ। একমাত্র ছেলের এমন পরিণতি জানার পর ভেঙে পড়েন এই প্রবাসী পিতা।

আরিফের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই শোকে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা এলাকা। তার মা, ভাইবোন এবং আত্মীয়স্বজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। সেই মাতম আরও তীব্র হয়ে ওঠে যখন ১২ দিন পর, ৩০ জুলাই ভোরে বাবার সঙ্গে ছেলের মরদেহ দেশে ফেরে। জীবিত অবস্থায় যার হাত ধরে হাঁটা শিখিয়েছিলেন, এবার তাকেই কবরে শুইয়ে দিতে হয় বাবাকে।

ছেলের মৃত্যুতে শোক ও বিষাদ নিয়ে চাকরি ছেড়ে দেশে ফেরেন লাল মিয়া। মাত্র দুই বছর আগে যে ছেলেকে প্রবাসে পাঠিয়েছিলেন ভবিষ্যতের আশায়, আজ তাকেই ফিরিয়ে আনেন কফিনে বাঁধা অবস্থায়।

বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে আবারও শোকের ছায়া নেমে আসে এলাকায়। বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় আরিফ হোসেনকে। বাবা-জননী এবং স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে আকাশ-বাতাস।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup