ওমানে দুর্ঘটনা ছাড়াই গাড়ির ভেতর থেকে চার আপন ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানিয়েছে পুলিশ। রয়্যাল ওমান পুলিশ নিশ্চিত করেছে, চালু অবস্থায় থাকা গাড়ির ভেতর এসির বিষাক্ত কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করার কারণেই এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের বিবৃতিতে জানানো হয়, পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত করেছে। গাড়িটি চালু অবস্থায় থাকার কারণে এর ভেতর কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস নির্গত হয় এবং নিঃশ্বাসের মাধ্যমে তা শরীরে প্রবেশ করে শ্বাসরোধ হয়ে ওই চারজনের মৃত্যু হয়। সেইসাথে বিষাক্ত গ্যাসে শ্বাসরোধের ঝুঁকি এড়াতে বদ্ধ জায়গায় বা ঘুমানোর সময় গাড়ি চালু না রাখার জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়।
নিহত চার ভাই হলেন রাশেদ, শাহেদ, সিরাজ ও শহিদ। বিয়ের জন্য একসঙ্গে কেনাকাটা করতে বেরিয়েছিলেন তারা। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর ওমানে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পরে। মৃত্যুর কারণ নিয়ে শুরুতে বেশ ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। অনেকে প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাঁরা হয়তো গাড়ি থেকে বের হওয়ার শক্তিটুকুও পাননি। আবার একাংশের আশঙ্কা ছিল, দীর্ঘক্ষণ গাড়ি চালু অবস্থায় স্থির থাকার কারণে এসির বিষাক্ত গ্যাস থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। শেষ সেই আশঙ্কাই সত্য প্রমাণিত হলো।









