ওমানে কর্মরত বিমাকৃত শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে আহত হওয়ার ঘটনাগুলোকে কীভাবে সংজ্ঞায়িত করা হবে এবং এ সংক্রান্ত চিকিৎসা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কীভাবে আপিল করা যাবে, তার একটি সুস্পষ্ট রূপরেখা প্রকাশ করেছে জেনারেল ফেডারেশন অব ওমান ওয়ার্কার্স। সোশ্যাল প্রটেকশন ফান্ডের জারি করা সিদ্ধান্তের অধীনে পেশাগত আঘাত ও রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রবিধান অনুযায়ী, ওমানের ভেতরে বা বাইরে কর্মস্থলের কোনো দুর্ঘটনা বা কাজের কারণে সরাসরি আহত হলে তা ‘কর্মক্ষেত্রে আঘাত’ হিসেবে গণ্য হবে। এমনকি বাসা থেকে কর্মস্থলে যাতায়াতের পথে আহত হয়ে যদি কোনো শ্রমিকের সম্পূর্ণ অক্ষমতা বা মৃত্যু ঘটে, তবে সেটিও এই নীতিমালার আওতায় আসবে। তবে এর জন্য শর্ত হলো, যাতায়াতের পথটি হতে হবে সরাসরি ও স্বাভাবিক। অকারণে যাত্রাবিরতি বা পথ পরিবর্তন করা যাবে না এবং স্বাভাবিক যাতায়াতের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই দুর্ঘটনা ঘটতে হবে।
শারীরিক আঘাতের পাশাপাশি কাজের অতিরিক্ত চাপ এবং ক্লান্তির ফলে সৃষ্ট অসুস্থতা বা ক্ষতিকেও এই নীতিমালায় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। শ্রম আইন লঙ্ঘন করে অতিরিক্ত বা অনিয়মিত কর্মঘণ্টা, কাজের অস্বাভাবিক চাপ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ না দেওয়ার মতো বিষয়গুলো প্রমাণিত হলে শ্রমিকরা এই নিয়মের অধীনে ক্ষতিপূরণ বা সুবিধা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
আরও
কর্মক্ষেত্রে আঘাত ও রোগ সংক্রান্ত যেকোনো চিকিৎসাবিষয়ক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রক্রিয়াটিও বিস্তারিতভাবে জানিয়েছে জিএফওডব্লিউ। কোনো স্বীকৃত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর দেওয়া সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিমাকৃত ব্যক্তি বা ফান্ড চাইলে নোটিশ পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। ফান্ডের প্রশাসনিক কাঠামোর মাধ্যমে এই আপিলগুলো ‘মেডিকেল গ্রিভেন্স কমিটি’-তে পাঠানো হবে এবং পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে এর রায় প্রদান করা হবে। কমিটির দেওয়া এই রায়ই চূড়ান্ত ও বাধ্যতামূলক বলে গণ্য হবে, যার ফলাফল নিয়োগকর্তা এবং বিমাকৃত শ্রমিক উভয়কেই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।










