সর্বশেষ

কুয়েত প্রবাসীদের সুরক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ

Groundbreaking steps to protect kuwaiti expatriatesWeb Popup (3)

কুয়েতে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনের নেতৃত্বে চালু হয়েছে ‘ভিসা সত্যায়ন ব্যবস্থা’, যার মাধ্যমে কর্মীরা কুয়েতে যাওয়ার আগেই নিয়োগকর্তা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারছেন।

নতুন এই ব্যবস্থায় দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল সংশ্লিষ্ট কোম্পানির চুক্তিপত্র, কর্মপরিবেশ, আবাসন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সরেজমিনে যাচাই করে থাকেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর উপযুক্ত বিবেচিত হলে তবেই ভিসা সত্যায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়। এর ফলে অনেক বাংলাদেশি শ্রমিক প্রতারণা ও হয়রানি থেকে রেহাই পাচ্ছেন।

আগে এমন তদারকি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন স্থানীয় একটি ন্যাশনাল কোম্পানির সুপারভাইজার শহিদুল ইসলাম। তিনি জানান, আত্মীয়দের কুয়েতে আনলেও ভিসার কোম্পানির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তাঁদের কর্মসংস্থান ও রেসিডেন্সি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে তাদের নতুনভাবে রেসিডেন্সি করতে হয়।

এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রবাসীবান্ধব আখ্যা দিয়েছেন কুয়েত বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন। তিনি বলেন, দূতাবাসের মাধ্যমে সত্যায়িত ভিসা থাকলে আগত কর্মীরা অন্তত দুই বছর চুক্তির নিরাপত্তা পাবেন এবং সমস্যায় পড়লে দূতাবাসও আইনি সহায়তা দিতে পারবে। তিনি এই পদ্ধতির আইনি ভিত্তি স্থাপন ও সরকারি উদ্যোগে স্থায়ী রূপ দেওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কুয়েতের সভাপতি জাহাঙ্গীর খান পলাশও এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শুধু কঠোরতা নয়, এর সঙ্গে জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে প্রবাসীরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি যেন স্থায়ীভাবে কার্যকর রাখা হয় এবং আরও শক্তিশালীভাবে বাস্তবায়ন করা হয়।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Web Popup (3)
Web Squre popup