Long Popup (2)
সর্বশেষ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা, ইরাকে মার্কিন দূতাবাস খালি করা হচ্ছে

Us embassy in iraq being evacuated as war rages in middle eastProbashircityWebPopupUpdate

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ করে ইরাক থেকে ‘অপ্রয়োজনীয় কূটনীতিক ও তাদের পরিবার’ সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং নিরাপত্তা হুমকি বাড়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলো ইরানের সম্ভাব্য হামলার শঙ্কায় রয়েছে।

বিবিসি ও রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন আশঙ্কা করছে, ইসরায়েল অচিরেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাতে পারে। এ প্রেক্ষিতে পাল্টা আঘাত হিসেবে ইরাক ও আশপাশের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে টার্গেট করতে পারে তেহরান। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সেনাদের পরিবার সরিয়ে নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উত্তেজনার প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। ইতোমধ্যে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এখনো কাটেনি, তার মধ্যে যদি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হয়, তা হলে বৈশ্বিক অর্থনীতি আরও গভীর সংকটে পড়বে।

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে এবং যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেবে। ওমানে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার পারমাণবিক আলোচনার ষষ্ঠ দফা সামনে থাকলেও এ প্রক্রিয়ায় গতি নেই বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তারা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না। তবে সাম্প্রতিক আলোচনায় আশাবাদ হারিয়েছেন বলেও তিনি জানান। পরিস্থিতিকে “বিপজ্জনক” আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল নিরাপত্তাজনিত নয়, বরং ইরানকে কূটনৈতিক চাপে রাখার কৌশল হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুনProbashircityWebPopupUpdate