কুয়েতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে হেরোইন, হাশিশ, গাঁজা ও নিষিদ্ধ ট্যাবলেটসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। সমাজকে মাদকের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অপরাধ তদন্ত বিভাগের একটি বিশেষ দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ নজরদারি ও নিবিড় তদন্তের পর ওই বাংলাদেশির অবস্থান নিশ্চিত করে তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে প্রায় ৬৬ গ্রাম ওজনের ১৮২ প্যাকেট হেরোইন, ১৪৪ গ্রাম ওজনের ৬৮ প্যাকেট হাশিশ ও ১৬০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ২৬৫ প্যাকেট সাইকোট্রপিক বা স্নায়ু উত্তেজক বড়ির পাশাপাশি আরও এক হাজার ৭৫০টি নিষিদ্ধ ট্যাবলেট এবং মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রির সরঞ্জাম জব্দ করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ওই প্রবাসী নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত ব্যবহার এবং বিক্রির উদ্দেশ্যেই বিপুল পরিমাণ এই মাদকদ্রব্য নিজের কাছে মজুত রেখেছিলেন তিনি। আটকের পর তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অধিকতর তদন্তের জন্য তাঁকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও
তদন্তের স্বার্থে গ্রেপ্তার হওয়া বাংলাদেশি নাগরিকের নাম বা ছবি প্রকাশ করেনি কুয়েত কর্তৃপক্ষ। তবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে তাদের এই জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে। তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে নিরাপত্তা বাহিনী যেকোনো মূল্যে তাদের কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে বলে জানানো হয়।









