Opens in a new tab
সর্বশেষ
ব্রেকিং

ইরানে হামলা চালিয়ে ইসরায়েলকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছি: ট্রাম্প

Image 347157Web Popup (3)

মধ্যপ্রাচ্যকে এক নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেছে বলে জোরালো দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, ইরান যদি কোনোভাবে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে পারত, তবে আজ পৃথিবীর মানচিত্রে ইসরায়েল নামের কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্বই থাকত না। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ফ্লোরিডার নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টারে দেওয়া এক বিশেষ বক্তব্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের পক্ষে এমন জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন তিনি। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

কেনেডি স্পেস সেন্টারের ওই বক্তব্যের পাশাপাশি একই দিন নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালেও একটি পোস্ট দেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি যদি সঠিক সময়ে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে না ঠেকাতেন, তবে আজ ইসরায়েলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য ধ্বংস হয়ে যেত। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘কেউ প্রকাশ্যে এটা বলতে চায় না, কিন্তু সবাই মনে মনে জানে—এটাই ধ্রুব সত্য।’ এর আগে, বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালেও তিনি ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার কড়া হুঁশিয়ারি দেন। ট্রাম্প স্পষ্ট বলেন, ‘সম্ভব হলে আমি ইরানের বাকি অংশ ধ্বংস করতে চাই না। কিন্তু পরিস্থিতি বাধ্য করলে এবং প্রয়োজন হলে ইরানের বাকি অংশের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। খুব শিগগিরই আপনারা আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে পারবেন।’

যুক্তরাষ্ট্রের এই চরম সামরিক হুঁশিয়ারির মধ্যেই আবার যুদ্ধ বন্ধে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের দেওয়া বিভিন্ন আপস প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে তেহরান, যা ভবিষ্যতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার পথ খুলতে পারে। অন্যদিকে, রয়টার্সকে ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, কাতারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পারমাণবিক কর্মসূচিবিষয়ক একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। তবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে জব্দ করা বিপুল ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা এবং যুদ্ধের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ তাদের ৭টি নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা শুরু করবে না। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের অনড় অবস্থান হলো, যেকোনো আলোচনার একেবারে প্রথম ধাপেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে।

সূত্র : আল জাজিরা

খবরটি শেয়ার করুন:
whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

Web Popup (3)