Long Popup (2)
সর্বশেষ

নামে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অথচ চলে না কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট!

16 20260516ProbashircityWebPopupUpdate

নামেই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কিন্তু বছরের পর বছর ধরে সেখানে ওঠানামা করে না বাইরের দেশের কোনো উড়োজাহাজ। ভিয়েতনামের কান থো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এমন দৈন্যদশায় চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন কান থো সিটি পিপলস কমিটির চেয়ারম্যান ট্রুং কান তুয়েন। তিনি আক্ষেপ করে বলেছেন, একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পুরো বছরজুড়ে কোনো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট না থাকাটা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়।

ভিয়েতনামের সংবাদমাধ্যম টিপিও-এর এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কান থো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন কর্মপরিকল্পনা ও ফ্লাইট রুট চালু রাখার বিষয়ে এয়ারপোর্টস করপোরেশন অব ভিয়েতনামের (এসিভি) সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে বসে কান থো সিটি পিপলস কমিটি। ওই আলোচনাতেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চরম হতাশার এই চিত্র উঠে আসে।

বৈঠকে এসিভির প্রতিনিধিরা জানান, তাঁরা দেশের মোট ৯টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা করেন, যার মধ্যে কান থো অন্যতম প্রধান একটি এভিয়েশন হাব। বর্তমানে এই অঞ্চলে আন্তর্জাতিক পর্যটকের আনাগোনা কোভিড-১৯ মহামারির আগের সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে। এত বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু না থাকায় এই বিমানবন্দরে যাত্রী যাতায়াত এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি উত্তরণে এসিভি কান থো বিমানবন্দর থেকে আরও সরাসরি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুট চালুর পরিকল্পনা করছে। মহামারির আগে এই বিমানবন্দর থেকে মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে সরাসরি ফ্লাইট চালু ছিল, যা পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন ও তাইওয়ানের সঙ্গে সরাসরি আকাশপথের যোগাযোগ স্থাপনে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

ফ্লাইট পুনরায় চালুর কৌশল নিয়ে এসিভির ডেপুটি জেনারেল ডিরেক্টর এনগুয়েন কাও কুওং বলেন, আন্তর্জাতিক রুট সচল করতে হলে বিমান সংস্থা, ট্রাভেল এজেন্সি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে। বিশেষ করে চার্টার ফ্লাইটে আসা চীনা পর্যটকদের একটি বড় বাজার এখানে রয়েছে। কান থো যদি উপযুক্ত ভিসা নীতি ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে, তবে এই বিপুলসংখ্যক পর্যটককে খুব সহজেই আকর্ষণ করা সম্ভব।

সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে কান থো সিটির চেয়ারম্যান ট্রুং কান তুয়েন জানিয়েছেন, শহরটিকে সড়ক, রেল, আকাশ ও সমুদ্রপথের একটি সমন্বিত লজিস্টিক সেন্টার বা পণ্য পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার নতুন পরিকল্পনা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বিশেষ করে কান থো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারপাশের এলাকাকে একটি আঞ্চলিক এয়ার লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। পর্যটন ও ব্যবসার প্রসারে কান থো সিটি কর্তৃপক্ষ চলতি বছর দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো মূল বাজারগুলোতে বিশেষ বাণিজ্য ও পর্যটন প্রতিনিধিদল পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে। স্থানীয় প্রশাসনের জোরালো প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের ফলে নতুন ফ্লাইট রুট চালুর আলোচনা আরও গতিশীল হবে এবং বিমানবন্দরটি তার প্রকৃত আন্তর্জাতিক মর্যাদা ফিরে পাবে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate