Long Popup (2)
সর্বশেষ

উগান্ডায় হঠাৎ অভিযান, বাংলাদেশিসহ ২৩১ জন বিদেশি আটক

Daily Apan Desh 9ProbashircityWebPopupUpdate

উগান্ডায় অবৈধ অভিবাসন, মানবপাচার ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের অন্তত ২৩১ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া বসবাস এবং সাইবার জালিয়াতির মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট সন্দেহে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সোমবার থেকে উগান্ডার উত্তরাঞ্চল ও রাজধানী কাম্পালায় এই বিশেষ অভিযান শুরু হয় এবং মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে আটকের এই বিশাল পরিসংখ্যান নিশ্চিত করে দেশটির সরকার।

78781f8f5edadbc9a842a9d7e10b87b5269c2d4c9bdfee52

কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানী কাম্পালার একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের সন্ধান পায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই গোপন আস্তানায় বিপুলসংখ্যক বিদেশি নাগরিক বসবাস করতেন এবং সেখানে তাঁদের জন্য নিজস্ব রেস্তোরাঁসহ সব ধরনের অভ্যন্তরীণ সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান ছিল। শুধু ওই কমপ্লেক্স থেকেই ৩৬ জন নারীসহ ১৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত এই বিদেশিদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, ঘানা, মিয়ানমার, ইথিওপিয়া, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া এবং মালয়েশিয়ার নাগরিকরা রয়েছেন।

উগান্ডার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, আটককৃতদের মধ্যে অনেকেই দাবি করেছেন যে তাঁদের আকর্ষণীয় ও ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে উগান্ডায় পাচার করা হয়েছে। তবে অনেকের বিরুদ্ধে সরাসরি অনলাইন প্রতারণা বা সাইবার-স্ক্যামিং চক্রে জড়িত থাকার তথ্য মিলেছে। ওই অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে তল্লাশি চালিয়ে অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া আটককৃতদের অনেকের কাছেই কোনো বৈধ পাসপোর্ট বা ভ্রমণের কাগজপত্র পাওয়া যায়নি, যা মানবপাচারের অভিযোগটিকে আরও জোরালো করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইমন পিটার মুন্ডেয়ি গণমাধ্যমকে জানান, আটককৃতদের তিনটি পৃথক শ্রেণিতে ভাগ করে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে—পাচারের শিকার ভুক্তভোগী, সাইবার অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া অবৈধ অভিবাসী। বর্তমানে তাঁদের দুটি আলাদা স্থানে রেখে আইনি প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে। মুখপাত্র আরও জানান, যাঁদের বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মিলবে, তাঁদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে। তবে যাঁরা প্রতারণা ও পাচারের শিকার হয়েছেন বা যাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, মানবপাচারের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ তাঁদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে।

আরও দেখুন

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন [email protected] মেইলে।

ProbashircityWebPopupUpdate