ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ বন্ধে মিসরে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় বসেছে হামাস ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় নিজেদের প্রধান ছয়টি শর্ত তুলে ধরেছে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র সংগঠনটি।
হামাসের মুখপাত্র ফাওজি বারহোম মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে জানান, মিসরে তাদের প্রতিনিধি দল সব ধরনের বাধা অতিক্রম করে একটি স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতির জন্য আমাদের মূল শর্তগুলো স্পষ্ট— স্থায়ী ও পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি সেনাদের গাজা থেকে প্রত্যাহার, ত্রাণ সরবরাহে কোনো বাধা না দেওয়া, বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের নিজ গৃহে ফেরার সুযোগ, গাজা পুনর্গঠন এবং বন্দি বিনিময়ে ন্যায্য চুক্তি।”
ফাওজি বারহোম অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে চাইছেন, যেমনটি অতীতেও করেছেন। তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সীমাহীন সমর্থন নিয়েও ইসরায়েল গাজায় কোনো সামরিক বিজয় অর্জন করতে পারেনি, বরং সেখানে তারা এক ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় তৈরি করেছে।”
আরও
হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গাজায় পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে একটি ফিলিস্তিনি জাতীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গাজায় যুদ্ধবিরতির এই আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই স্থবির অবস্থায় রয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হামাসের এই নতুন শর্তসমূহ আলোচনাকে নতুন করে গতিশীল করতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা













