প্রায় পাঁচ মাসের মহাকাশ মিশন শেষে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) থেকে চার নভোচারী নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরেছেন। শনিবার (৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৪ মিনিটে স্পেসএক্সের ড্রাগন ক্যাপসুল ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূলে সমুদ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ফিরতি যাত্রায় ছিলেন মার্কিন মহাকাশচারী অ্যান ম্যাকক্লেইন ও নিকোল আয়ার্স, জাপানের তাকুয়া ওনিশি এবং রাশিয়ার কিরিল পেসকভ।
ড্রাগন ক্যাপসুলটি আইএসএস থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর প্রায় ১৮ ঘণ্টা ভ্রমণ করে পৃথিবীতে পৌঁছায়। ফেরার পথে প্রবল গতিতে বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় ক্যাপসুলের তাপমাত্রা ১,৯২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। পরে বিশাল প্যারাসুট খুলে গতি ঘণ্টায় ২৮ হাজার ১০০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারে আনা হয়, যাতে নরমভাবে সমুদ্রে অবতরণ সম্ভব হয়। অবতরণের পর স্পেসএক্সের উদ্ধারকারী জাহাজ ক্যাপসুলটি তুলে নেয় এবং নভোচারীরা কয়েক মাস পর প্রথমবারের মতো পৃথিবীর বাতাস গ্রহণ করেন।
ক্রু-১০ নামে পরিচিত এই দল তাদের ১৪৬ দিনের মিশনে আইএসএসের মাইক্রোগ্র্যাভিটি পরিবেশে ২০০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা সম্পন্ন করেন। এসবের মধ্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং মাধ্যাকর্ষণের প্রভাবে কোষের প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। নাসা জানিয়েছে, তাদের এই কাজগুলো ছিল সময়-সংবেদনশীল ও মহাকাশ গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আরও
নাসার বাণিজ্যিক ক্রু প্রোগ্রামের আওতায় মহাকাশ স্টেশনে দশম ক্রু রোটেশন মিশন ছিল এটি। সফলভাবে পৃথিবীতে ফিরে আসার মাধ্যমে মিশনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। নাসা এবং স্পেসএক্স উভয়ই এই অবতরণকে প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও নিরাপত্তার বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছে।







![Hgxzjop[]](https://probashtime.net/wp-content/uploads/2026/06/hgxzjop.webp)


