বাংলাদেশ রেলওয়ের তীব্র ইঞ্জিন সংকট মোকাবিলায় চীন সরকার ১২৯ কোটি ৫৪ লাখ ডলার (প্রায় ১ হাজার ৫৯১ কোটি টাকা) অনুদান হিসেবে সহায়তা দিচ্ছে।
এই অর্থ দিয়ে রেলের জন্য ২০টি মিটারগেজ (এমজি) ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ করা হবে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, বর্তমানে মিটারগেজ বহরের ৭১ শতাংশ বা ১২৪টি লোকোমোটিভের অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে, যার মধ্যে ৬৮টি ইঞ্জিন ৪০ বছরেরও বেশি পুরোনো। জরাজীর্ণ এসব ইঞ্জিনের কারণে রেলের রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, জ্বালানি ব্যয় এবং ট্রেন বাতিলের ঘটনা বাড়ছে। পূর্বাঞ্চলে বর্তমানে অন্তত ২১টি ইঞ্জিনের ঘাটতি থাকায় যাত্রী ও মালবাহী পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।
রেল কর্মকর্তারা আশা করছেন, নতুন ২০টি লোকোমোটিভ যুক্ত হলে সেবার মান বাড়বে, নির্ভরযোগ্যতা ফিরবে এবং রেলের আয় বৃদ্ধি পাবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেলওয়েকে একটি নির্ভরযোগ্য পরিবহন ব্যবস্থা হিসেবে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদে আরও বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন।












