ফরিদপুরের সালথায় প্রবাসী স্বামীর পাঠানো টাকা ‘বেহিসাবি’ খরচ ও আত্মসাতের অভিযোগে রমিজা সুলতানা নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদি গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া রমিজা সুলতানা (৩১) মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া গ্রামের ইয়াসিন মোল্লার মেয়ে। তিনি দুই সন্তানের জননী। ভুক্তভোগী স্বামী আবদুল জব্বার মিয়া সালথা উপজেলার বিভাগদি গ্রামের আকমল মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবদুল জব্বার দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে থাকেন। পরিবারের ভরণপোষণ ও ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি স্ত্রী রমিজার ব্যাংক হিসাব ও মুঠোফোনে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন। অভিযোগ রয়েছে, রমিজা সেই টাকার বড় একটি অংশ বেহিসাবি খরচ করে ফেলেন। এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কেরও অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি আবদুল জব্বার দেশে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে এসব বিষয় জানতে পারেন। এরপর তিনি সালথা থানায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
আরও
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার সত্যতা মেলায় রমিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সালথা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান তালুকদার জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের আলোকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য বিষয়ও অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ওই নারীকে ইতিমধ্যে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।










