বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তদন্তকমিটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনের কেবিন ক্রু নিয়োগে প্রক্রিয়াগত অনিয়ম পেয়েছে। তদন্তে দেখা যায়, মৌখিক পরীক্ষার ঠিক আগেই নিয়োগকমিটি পুনর্গঠিত হয় এবং মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিকে হঠাৎ কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়।
আদিতে ৫০ জন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও পরে তা দ্বিগুণ করে ১০০ করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত একজন বাড়িয়ে মোট ১০১ জন নিয়োগ দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। শারীরিক মাপদণ্ড, অবিবাহিত থাকার শর্তসহ নিয়োগশর্ত লঙ্ঘনের নমুনা সহজে মিলেছে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, অনেক প্রার্থী লিখিতভাবে ভালো করেও মৌখিক পরীক্ষায় ঠিকমতো মূল্যায়ন হয়নি; আর মৌখিক পরীক্ষায় কম নম্বরেও অনেকে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। মৌখিক পরীক্ষার সভাপতি বদলে এমডি নিজে কমিটি সভাপতিত্ব করেন—তাতে সুপারিশকারীরাই অনুমোদনকারীও হয়ে পড়েছেন বলে চিহ্নিত হয়েছে।
আরও
দুই মাসের তদন্ত শেষে আগস্টের শেষ সপ্তাহে প্রতিবেদন জমা হয়েছে; কমিটি আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখেনি। তদন্তকারীরা নিয়োগ প্রবিধান না থাকা ও পূর্বের অনিয়ম রোধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।










