মাত্র ১৪ বছর বয়সে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ২৯ বছর বয়সী এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সৌদি আরব। গত ১৭ অক্টোবর কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হাসান জাকি আল-ফারাজ নামের ওই যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। ২০২০ সালে অপ্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করার কথা সৌদি সরকার জানালেও, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, আটকের পর ফারাজকে দীর্ঘদিন নির্জন প্রকোষ্ঠে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। ফারাজের মতোই এখন ফাঁসির প্রহর গুনছেন ইউসুফ আল-মানাসিফ নামের আরেক যুবক। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বিক্ষোভে জড়ানোর অভিযোগে যেকোনো সময় তারও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে। মানবাধিকার কর্মীদের দাবি, জোরপূর্বক মিথ্যা জবানবন্দি আদায় করে তাদের ওপর এই সাজা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের মৃত্যুদণ্ড রদের যে দাবি সৌদি আরব করেছিল, তা কার্যত মিথ্যা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর দেশটিতে ৩৪৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এমন পরিস্থিতিতে ইউসুফের প্রাণ বাঁচাতে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মহলের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে তারা।










