সর্বশেষ

নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে: ট্রাম্প

07085cc56ea8587c91ec91c0cb88481a 69ae4f1401b27City ads Investment (1)

ইরানের সঙ্গে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ কখন থামবে, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে যৌথ আলোচনার মাধ্যমেই নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার (৮ মার্চ) এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই মন্তব্য করেন। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর বরাত দিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধ সমাপ্তির বিষয়টি একটি ‘যৌথ’ সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে এবং তিনি ও নেতানিয়াহু এ বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। ট্রাম্পের মতে, সার্বিক পরিস্থিতি গভীরভাবে বিবেচনা করে সঠিক সময়েই এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এক চাঞ্চল্যকর দাবি করে বলেন, তিনি এবং নেতানিয়াহু যদি নেতৃত্বে না থাকতেন, তবে ইরান এতক্ষণে ইসরায়েলকে ধ্বংস করে দিত। তিনি বলেন, ইরান ইসরায়েল এবং এর চারপাশের সবকিছু ধ্বংস করতে চেয়েছিল। কিন্তু তাঁরা একসঙ্গে কাজ করে এমন একটি দেশকে ধ্বংস করেছেন, যারা ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিল। ট্রাম্পের এই মন্তব্য থেকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ঐক্য কতটা সুগভীর, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁদের এই যৌথ পদক্ষেপের কারণেই ইরান আজ অস্তিত্বসংকটে পড়েছে।

যুদ্ধ থামানোর বিষয়টি ট্রাম্পের একক নাকি নেতানিয়াহুর সমান অংশীদারত্বের ভিত্তিতে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, এটি অনেকটাই যৌথ সিদ্ধান্তের মতো হবে এবং তাঁরা এ নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সব ধরনের বাস্তবতাকে বিবেচনায় রাখা হবে বলেও জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র যদি আক্রমণ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়, সে ক্ষেত্রে ইসরায়েল এককভাবে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে কি না, এমন সম্ভাবনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে আত্মবিশ্বাসের সুরে তিনি যোগ করেন, এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির আদৌ প্রয়োজন পড়বে বলে তিনি মনে করেন না।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইসরায়েলের ওপর ওয়াশিংটনের প্রভাব এবং একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের আস্থার প্রতিফলন হিসেবেই দেখছেন। বর্তমান সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ইরানের সক্ষমতা যে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে, ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে বারবার সে বিষয়টিই সামনে এনেছেন। এই যুদ্ধ ঠিক কোন পর্যায়ে গিয়ে থামবে এবং এর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ কী দাঁড়াবে, তা নিয়ে এখন বিশ্বজুড়ে চলছে নানা জল্পনা। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর এই ‘যৌথ সিদ্ধান্ত’ শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রই হয়তো বদলে দিতে পারে।

আরও দেখুনঃ

whatsappচ্যানেল ফলো করুন

প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।

Probashir city Popup
Probashir city Squre Popup