ভারতের রাজধানী দিল্লিতে হঠাৎ করে ভয়াবহ ধুলোঝড়ের কারণে শুক্রবার (১১ এপ্রিল) রাত থেকে বিমান চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। প্রাকৃতিক এই বিরূপ পরিস্থিতির কারণে বেশ কয়েকটি বিমান নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অবতরণ করতে পারেনি এবং কিছু ফ্লাইট অন্যত্র, বিশেষত চণ্ডীগড় বিমানবন্দরে অবতরণে বাধ্য হয়। পাশাপাশি অন্তত ২০০টি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছেড়ে যেতে পারেনি, এমনকি কিছু ফ্লাইট বাতিলও করা হয়।
দিল্লি বিমানবন্দরের যাত্রীদের অভিযোগ অনুযায়ী, তীব্র অব্যবস্থাপনার কারণে সেখানে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়। টার্মিনাল ৩-এ আটকে থাকা যাত্রীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই জানান, টানা ১২ ঘণ্টারও বেশি সময় তারা বিমানবন্দরে আটকে ছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে রাজধানী দিল্লি ও আশপাশের এলাকায় চলমান তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ধুলোঝড়ের সঙ্গে সামান্য বৃষ্টিপাত শুরু হয়, যার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় আবারো প্রবল ধুলোঝড় বয়ে যায়। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
আরও
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, আকস্মিক এই আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে দিল্লিতে ‘লাল সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি বজ্রপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে। দিল্লির পাশাপাশি হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশেও এমন আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।
আপাতত দু’একদিন এই বিরূপ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে এর পর তাপমাত্রা আবারও বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়েছে।









