প্রবাসীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ হারে টাকা কেটে নেওয়া হবে—এমন খবরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গেছে নেট দুনিয়ায়। দেশে থাকা পরিবারগুলোর পাশাপাশি বিদেশে অবস্থানরত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের মধ্যেও ছড়িয়েছে চরম আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি। অনেকের প্রশ্ন- সত্যিই কি এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার?
অনুসন্ধানে দেখা যায়, রেমিট্যান্স কেটে নেওয়ার এই খবরটি সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন। মূলত ভুঁইফোর ফেসবুক পেজ থেকে সম্পাদনা করা একটি ভুয়া ছবির কার্ড ছড়িয়ে এই আতঙ্কের জন্ম দেওয়া হয়েছে। সেখানে নুরুল হক নুরের ছবি ও নাম ব্যবহার করে দাবি করা হয়, দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য রেমিট্যান্স থেকে এই অর্থ কেটে নেওয়া হবে।
বিষয়টি নজরে আসার পর নুরুল হক নুর তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই জালিয়াতির তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং তিনিও কখনো এমন মন্তব্য করেননি। জনগণকে বিভ্রান্ত করতে এবং সরকারকে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরতে একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে।
আরও
প্রকৃতপক্ষে প্রবাসী আয়ের ওপর দেশে কোনো ধরনের আয়কর বা কর্তনের নিয়ম নেই। বরং বৈধ চ্যানেলে ব্যাংকিং মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠালে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা সুবিধা আগের মতোই পুরোপুরি অব্যাহত রয়েছে। দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি প্রবাসীদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এসব গুজবে কান না দিয়ে, সঠিক তথ্যে আস্থা রেখে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।








